সৈয়দপুরের গর্বের বিদ্যাপীঠ ‘বাউস্ট’ ও সোশ্যাল অ্যাক্টিভিস্টদের মিলনমেলার এক আবেগঘন হৃদ্যতার গল্প।সৈয়দপুরের মানচিত্রে যে প্রতিষ্ঠানটি আভিজাত্য আর শ্রেষ্ঠত্বের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়ে আছে, সেটি হলো বাংলাদেশ আর্মি ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (বাউস্ট)। আজ বুধবার (২২ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফারেন্স রুম সাক্ষী হয়ে রইলো এক অনন্য হৃদ্যতার। যেখানে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং শহরের একঝাঁক প্রাণোচ্ছল সোশ্যাল অ্যাক্টিভিস্ট ও অনলাইন রিপোর্টারদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হলো এক প্রাণবন্ত মতবিনিময় সভা।অনুষ্ঠানের পরতে পরতে মিশে ছিল সৈয়দপুরের প্রতি ভালোবাসা আর উন্নয়নের অঙ্গীকার। বাউস্ট-এর রেজিস্ট্রার কর্নেল (অব:) চৌধুরী সাইফ উদ্দিন কাওসার (পিবিজিএম)-এর সভাপতিত্বে এবং প্রক্টর মোঃ জাবের হোসাইনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি কেবল একটি আনুষ্ঠানিক সভা থাকেনি বরং এটি রূপ নিয়েছিল সৈয়দপুরের আপনজনদের এক মিলনমেলায়।সভায় উপস্থিত হয়ে নিজেদের আবেগ আর প্রত্যাশার কথা জানান ‘শিক্ষা নগরী সৈয়দপুর’-এর অ্যাডমিন খুরশিদ জামান কাকন, Hello Saidpur 24 news এম, এ খালেক, আমাদের প্রিয় সৈয়দপুরের নওশাদ আনসারী, সৈয়দপুর দর্পণ ও সিসি নিউজের আমির খান, সৈয়দপুর টুয়েন্টিফোর নিউজের আজম এবং সৈয়দপুর স্পোর্টস নিউজের সানি।বক্তাদের কণ্ঠে বারবার উঠে আসে এক গর্বের সুর। তারা আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, “বাউস্ট শুধু একটি বিদ্যাপীঠ নয়, এটি আমাদের সৈয়দপুরের অহংকার। এই আঙিনায় যখন আমাদের সন্তানেরা উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হয়, তখন পুরো শহর গর্বিত হয়।” বক্তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা মান ও শৃঙ্খলার ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং শহরের সামাজিক উন্নয়নে বাউস্ট-এর ভূমিকার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে বিরাজ করছিল এক উৎসবমুখর পরিবেশ। পারস্পরিক সম্মান আর সৌহার্দ্যের এই মুহূর্তগুলো উপস্থিত সবার মনে গভীর দাগ কাটে। শেষে আনন্দঘন পরিবেশে মধ্যাহ্নভোজের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। বিদায়বেলায় সবার চোখে-মুখে ছিল একটাই প্রত্যাশা—সৈয়দপুরের এই রত্ন ‘বাউস্ট’ তার আলো ছড়িয়ে দিক বিশ্বজুড়ে, আর আমরা সৈয়দপুরবাসী পরম মমতায় আগলে রাখি আমাদের এই গর্বকে। #BAUST #Saidpur
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Leave a Reply